ভ্যাল থোরেন্সের অভিজ্ঞতা-তৃতীয় পর্ব
11 February, 2021 - By Bangla WorldWide
9 February, 2021 - 03:17:00 PM
ভ্যাল থোরেন্সের অভিজ্ঞতা-দ্বিতীয় পর্ব
আরও পড়ুন4 February, 2021 - 04:45:00 PM
ইউরোপের সর্বোচ্চ স্কি রিসর্ট ভ্যাল থোরেন্স, বিশ্বের সর্বোচ্চ স্কি রিসর্টগুলির অন্যতম। ফ্রেঞ্চ আল্পস-এ। প্রায় আট হাজার ফুট উচ্চতায়। সারা বছর ঢাকা থাকে বরফের তলায়। শীত কালে তো কথাই নেই। শুধু বরফ নয়, সাংঘাতিক তুষারপাত আর তুষার ঝড় বা ব্লিজার্ড বয় সারাক্ষণ। 2019 সালের ডিসেম্বরের কনকনে ঠান্ডায় আর ভয়ঙ্কর তুষারপাতের মধ্যে চলে গেছিলাম ভ্যাল থোরেন্স। পাগলামির চূড়ান্ত। পরে মনে হয়েছিল এতটা বাড়াবাড়ি ঠিক হয় নি। প্রাণ'টা যেতে বসেছিল। ডিটেলস-এ বলছি।
আরও পড়ুন29 January, 2021 - 01:30:00 PM
দীর্ঘদিন লকডাউনে গৃহবন্দী দশা কাটিয়ে নিয়ম-নীতি মেনে ইতিহাস চাক্ষুষ করতে পারিদিলাম কামারপুকুর ও জয়রামবাটি। আমি এমনিতেই খুব ভ্রমনপিপাসু তাই কোনও সুযোগ হাতছাড়া করার প্রশ্নই আসেনা। কাকভোড়ে কলকাতা থেকে রওনা দিলাম কামারপুকুরের উদ্দেশ্যে আর যখন গিয়ে পৌছনাম সে এক নৈস্বর্গীক শান্তি। ফুলের সাজে শ্রীরামকৃষ্ণের দর্শন কল্পনাতীত। ঠাকুরের নিজের হাতে লাগানো আমগাছ আজ সুবিশাল বৃক্ষ আর সেই গাছেরও যত্নের কোনও খামতি নেই। ঠাকুর যখন ওখানে থাকতেন সাদাবোদে ছিলো ওনার খুব প্রিয় আর আমরাও তার স্বাদ আস্বাদন করলাম।
আরও পড়ুন13 November, 2020 - 01:02:00 AM
দক্ষিণ ইটালি – স্থান ভূমধ্য সাগরের তীরবর্তী এক প্রাচীন রোমান জনপদ। সময় খ্রিষ্টাব্দ ৭৯; কয়েকদিন ধরেই হয়ে চলেছে ছোটখাটো ভূমিকম্প। এখানকার মানুষ এরকম ভূমিকম্পে অভ্যস্ত। বস্তুত সতের বছর আগে (খ্রিষ্টাব্দ ৬২) হওয়া ভুমিকম্পের তুলনায় এগুলি কিছুই নয়। খ্রিষ্টাব্দ ৬২ সনের সেই ভূমিকম্পে প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয় এই অঞ্চলে। বিশেষত হারকিউলিয়ান নামে রোমান শহরটিতে। ছোটখাটো ভূমিকম্পে অভ্যস্ত মানুষজন ব্যস্ত দৈনন্দিন কাজকর্মে। হঠাত ঘটল ছন্দপতন। প্রচণ্ড বিস্ফোরণ। সূর্য তখন মধ্য গগনে। মুহূর্তের মধ্যে আকাশ ঢেকে গেল আকাশচুম্বী কালো ধোঁয়ায়। গোটা জনপদ ঢেকে গেল ছ-ইঞ্চি পুরু ধূলায়। সন্ত্রস্ত জনগণ, অজানা আশঙ্কার অশুভ ইঙ্গিত।
আরও পড়ুন29 October, 2020 - 01:40:00 PM
ক্রুগার ন্যাশনাল পার্ক, সাউথ আফ্রিকার রাজধানী প্রিটোরিয়ার উত্তর পূর্বে মোজাম্বিকের সীমানা ঘেঁসেপৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম অভয়ারণ্য। দৈর্ঘে প্রায় চার শত কিলো মিটার, প্রস্থে চল্লিশ পঞ্চাশ কিলোমিটার, আয়তন প্রায় কুড়ি লক্ষ্ হেক্টর -যা নাকি সমগ্র ইজরাইল দেশের সমান।
আরও পড়ুন25 October, 2020 - 05:45:00 PM
আদিগন্ত বিস্তৃত আঙুরের খেত। তার মধ্যে রোদ ঝলমলে দিনে হাঁটার (ইংরেজিতে যাকে বলে হাইকিং) এক মনোরম অভিজ্ঞতা। খেতের মধ্যে চলার পথ সে ভাবে চিহ্নিত করা নেই।
আরও পড়ুন10 October, 2020 - 01:05:00 PM
কায়রো যাওয়ার জন্য এয়ারপোর্টে সিকিউরিটি চেকের পর প্লেনে উঠতে উঠতে সন্ধ্যা পেরিয়ে গেল। ঘন্টাখানেকের প্লেন-যাত্রার পর কায়রো নামতে নামতে রাত আটটা। কায়রোতে নেমে কয়েকজন গেল ইজিপ্ট-এয়ার এর কাউন্টারে, ফেরার বুকিং কনফার্ম করতে। অবশেষে এসি বাসে উঠে ঘন্টাখানেকের যাত্রা'র পর হোটেল ওয়েসিস পৌঁছালাম রাত দশটায়।
আরও পড়ুন9 October, 2020 - 02:30:00 PM
প্রাচীন সেই মন্দিরে পৌছে মনটা ভরে গেল। প্রাচীন মন্দিরের অবস্থান ছিল অন্য আরেক দ্বীপে। ষাটের দশকে ইজিপশিয়ান গভর্মেন্ট আসওয়ান-এ নীল নদের ওপর এক ড্যাম বানাবার পরিকল্পনা করে। ড্যামের রিজার্ভারের জলের তলায় তলিয়ে যায় প্রাচীন এই পুরাকীর্তি। এরপর ইউনেস্কো'র সহযোগিতায় এবং ইটালী, ফ্রান্স, জার্মানি এবং আরো কিছু দেশের সহায়তায় প্রাচীন এই পুরাকীর্তি'র পুনরুত্থানের প্রচেষ্টা শুরু হয়। তলিয়ে যাওয়া দ্বীপের চারপাশে দেওয়া হয় বাঁধ। পাম্প করে জল বাইরে বের করে দেওয়া হয়। পরবর্তী দশ বছর ধরে চলে গোটা টেম্পল কমপ্লেক্স'কে দূরের আর এক উঁচু ভূখণ্ডে স্থানান্তরিত করা। অত্যন্ত দক্ষতার সাথে সুচারু ভাবে পাথরের পর পাথর, মূর্তির পর মূর্তি, পিলারের পর পিলার কেটে এনে নতুন জায়গায় বসানো হয়। সময় লাগে দশটি বছর। বর্তমানে মন্দির'টির অবস্থান উঁচু এই দ্বীপে। প্রাচীন এই মন্দিরের স্থান পরিবর্তন এক আর্কিটেকচারাল মিরাকল। বর্তমানে ইউনেস্কো'র World Heritage Site.
আরও পড়ুন8 October, 2020 - 06:40:00 AM
দ্বিতীয় পিরামিডে এসেই পৌছতে দেখি পেছন পেছন ঘুরঘুর করছে ফেরিওয়ালাদের ভীড়। বোকা বানিয়ে শস্তার ইজিপশিয়ান হ্যান্ডিক্রাফট বিক্রির কৌশল। ভান করলাম যেন ভাষা বুঝছি না। এ ব্যাপারে আমাদের বারে বারে সতর্ক করা হয়েছিল। বিক্রির নাম করে সর্বস্ব হাতিয়ে নিতে পারে। একা পেয়ে তস্করবৃত্তির উদাহরণ আছে অতীতে। দ্বিতীয় পিরামিডের ওপর দিকে মার্বেল পাথরের আস্তরণ এখনো কিছুটা আছে। বস্তুত পিরামিডগুলি তৈরী হয় গ্রানাইট পাথরের ব্লক দিয়ে। গ্রাণাইটকে ঢেকে লাগানো হয় মার্বেল পাথরের স্তর। সুদূর অতীতে পিরামিডগুলি ছিল শ্বেত-শুভ্র, বহুদূর থেকে সূর্যের আলোয়ে বা জোছনা রাতে মায়াবিনী মরীচিকার সৃষ্টি করত, মানসচক্ষে যেন দেখতে পাচ্ছি। মহাকালের রথের চাকায় সেই বিচ্ছুরণ আজ অস্তমিত। মার্বেল পাথরের স্তর ভেঙ্গে খুলে নিয়ে গেছে তস্কররা। ব্যবহার করা হয়েছে হানাদারদের প্রাসাদ বা উপাসনাস্থল তৈরীতে।
আরও পড়ুন7 October, 2020 - 10:37:00 AM
মিশর ভ্রমণে গিয়ে যে এমন বেকায়দায় পড়ব কে ভেবেছিল! মিশর ভ্রমণের শখ আমার সেই ছোটবেলা থেকেই। পিরামিড আর স্ফিংসের রহস্য আর ফ্যারাওদের গল্প যেন টাইম মেশিনে চেপে সময়ের উল্টো পথে এগিয়ে চলা। রহস্যময় পিরামিডগুলি কারা বানিয়েছিল, কিভাবে বানিয়েছিল, কোন অত্যুন্নত সভ্যতা বিবর্তনের পথে অবলুপ্ত হয়ে গিয়েছিল কিনা, এমনকি, অন্য গ্রহ থেকে আগত এক্সট্রা-টেরেস্ট্রায়ালরা বহু আগে পৃথিবীতে পদার্পণ করেছিল কিনা, জটিল আর্কিটেকচার সম্পন্ন পিরামিড বা অন্যান্য স্থাপত্যগুলি নির্মাণ করেছিল কিনা, তা নিয়ে নানা মুনির নানা মত।
আরও পড়ুন