কবি সম্মেলন
12 March, 2026 - By Editor Role
12 March, 2026 - 02:00:00 AM
বাংলা ওয়ার্ল্ডওয়াইড প্রতিবেদন: "আমরা বাঙালি, এ কথা জানাই গর্ব ও গৌরবে,/বাংলার বুকে আজও বেঁচে আছি অতীতের সৌরভে।" 'ভদ্রলোক'—শব্দটি বাঙালির সঙ্গে যেন অদৃশ্য সুতোয় বাঁধা। সমাজে, সাহিত্যে, রাজনীতিতে কিংবা সংস্কৃতিচর্চায়—বাঙালিকে প্রায়শই একটি বিশেষ পরিচয়ে চিহ্নিত করা হয়েছে: তিনি নাকি ভদ্র, মার্জিত, সংস্কৃতিমনস্ক ও বুদ্ধিদীপ্ত। ঊনবিংশ শতাব্দীর নবজাগরণের সময়ে, বিশেষত রাজা রামমোহন রায়, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এবং বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়–এর মতো মনীষীদের হাত ধরে যে শিক্ষিত মধ্যবিত্ত শ্রেণির উত্থান ঘটেছিল, তাদেরই বলা হতো ‘ভদ্রলোক’। এই ‘ভদ্রলোক’ পরিচয়টি কেবল আচার-আচরণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না; ...
আরও পড়ুন24 February, 2026 - 12:30:00 PM
দেবদূত ঘোষঠাকুর, বিশিষ্ট সাংবাদিক ও বাংলা ওয়ার্ল্ডওয়াইড প্রকাশিত "মা তোর মুখের বাণী"র সম্পাদক আমি যে খবরের কাগজে ৩৬ বছর কাজ করেছি সেই প্রতিষ্ঠান রাজ্যের লেখকদের আকর। এ ঘরে এ ঘরে উঁকি মারলেই কেউ কবি কেউ বা সাহিত্যিক। কারও নাম বাংলা সাহিত্যের সেরাদের তালিকায় ইতিমধ্যে উঠে গিয়েছে। কারও উঠব উঠব করছে। কেউ নিজেদের গন্ডির মধ্যে তেলে ভাজা- মুড়ি-চা সহযোগে আড্ডায় হো হো করে হাসছেন, কিন্তু অন্য বৃত্তে নিজেকে গাম্ভীর্যের চাদরে মুড়িয়ে রেখেছেন। কেউ প্রথম থেকেই মনে করিয়ে দিয়েছেন তিনি সবার কাছে ধরা দেওয়ার নয়। কেউ কখনও তুমুল গালাগালি করছেন বিনা কারণে। দিন দুই পরে পিঠ বেশ কিছুক্ষণ হাত রেখে ভালোবাসার উ
আরও পড়ুন24 February, 2026 - 02:00:00 AM
V.SUDHISH PAI,Legal Luminary The Constitution of India is one of the most comprehensive and well-drafted in spite of its elephantine size. It is one of the finest products of human ingenuity. Our Constitution represents a summit of consensus in India’s political history. It manifests the best in our past traditions, provides a considered response to the needs and aspirations of the present, and possesses sufficient flexibility to handle and weather the requirements of the future. It is an instrument drawn with such meticulous care by a remarkably wise, articulate, and erudite pantheon of pe...
আরও পড়ুন21 February, 2026 - 12:30:00 PM
বাংলা ওয়ার্ল্ডওয়াইড প্রতিবেদন, বাংলা ভাষা বিশ্বের অন্যতম সমৃদ্ধ ও প্রাচীন ভাষাগুলোর মধ্যে একটি। এই ভাষা যেমন বইয়ের পাতায় বেঁচে থাকে, তেমনি বেঁচে থাকে কথোপকথনে, গানে, স্লোগানে ও প্রতিবাদে। তবে বর্তমানে এই ভাষাই সংকটের মুখে। সেই তাগিদে বাংলা ওয়ার্ল্ডওয়াইড আয়োজিত পঞ্চম আন্তর্জাতিক বাঙালি সম্মেলনের প্রথমদিন আলোচনাসভার একটি বিষয় ছিল "বাংলা কে লেখে/কে পড়ে?" আলোচনাসভাটি সঞ্চালনা করেন লেখিকা সেমন্তী ঘোষ। এই সভার বক্তা ছিলেন অধ্যাপক পবিত্র সরকার, সাহিত্যিক ডাঃ নবকুমার বসু ও লেখিকা অনিতা অগ্নিহোত্রী। সভার শুরুতেই সঞ্চালিকা সেমন্তী ঘোষ একটি সমীক্ষার উল্লেন করে বলেন গত বছরের তুলনায় এবছর কলকাতা ...
আরও পড়ুন21 February, 2026 - 12:30:00 PM
বাংলা ওয়ার্ল্ডওয়াইড প্রতিবেদন: বিশ্বাসযোগ্যতা, নৈতিকতা ও পেশাদারিত্ব বজায় রেখে প্রযুক্তি ও নতুন মাধ্যমের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়াই আগামী দিনের সাংবাদিকতার চ্যালেঞ্জ। আর সেই ভাবেই ভবিষ্যতের সাংবাদিকদের তৈরি হতে হবে। গত শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারি ৬ই ফেব্রুয়ারি, সল্টলেকের সুরেশ নেওটিয়া ইনস্টিটিউট অব এক্সেলেন্স অ্যান্ড লিডারশিপ-য়ে সাংবাদিকতার অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ বিষয়ে এক আলোচনার এটাই ছিল সারসংক্ষেপ। 'সাংবাদিকতা: অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ' - এই শিরোনামের ওই মত বিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন অমৃত বাজার পত্রিকার পূর্বতন সাংবাদিক ও আমেরিকান ইনফরমেশন সেন্টার (বাংলা বিভাগ)- র প্রাক্তন অধিকর্তা, প্রশা
আরও পড়ুন18 February, 2026 - 12:00:00 PM
বাংলা ওয়ার্ল্ডওয়াইড প্রতিবেদন, গত ৬ই ফেব্রুয়ারি অত্যন্ত মনোজ্ঞ একটি আলোচনা চক্র অনুষ্ঠিত হয় পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ ও বিভিন্ন পেশা থেকে আসা ত্রিশ জন নারীকে নিয়ে। বিষয় - গত আড়াই দশকে মেয়েদের সার্বিক বিবর্তন। সভাপতিত্ব করেন ডঃ নন্দিতা চ্যাটার্জী, ভারত সরকারের পূর্বতন সচিব ও বর্তমানে রাষ্ট্রসংঘের উপদেষ্টা। সেখানে শিক্ষাবিদ, বিজ্ঞানীদের সঙ্গে ছিলেন শিল্প-সংষ্কৃতির জগৎ, সাংবাদিকতা, আইন এবং দূরদর্শন থেকে আসা বিভিন্ন ব্যক্তিত্ব। বিচিত্র অভিজ্ঞতার নারীরা তাঁদের নিজস্ব বক্তব্য রাখেন। ছিল অজস্র প্রতিবন্ধকতা ঠেলে নিজেদের প্রস্ফুটিত হবার কাহিনী, যেখানে আমরা শুনেছি গত পঁচিশ বছরে বিভিন্ন দিকে মেয়েদের অগ
আরও পড়ুন27 December, 2025 - 12:00:00 PM
দিতিপ্রিয়া সরকার বিশিষ্ট লেখক, বাচিক শিল্পী ও অভিনেত্রী বিগত প্রায় ২৩ বছর আমার বাড়িতে যে দিদি ঘরের কাজে সাহায্য করেন, একদিন সন্ধে পেরিয়ে যাবার পরে তিনি এলেন। সাধারণত তাই আসেন। তবে সেদিন একটু বেশীই দেরী হল যেন! দেখে কেমন বিধ্বস্ত লাগলো, মুখটাও শুকনো। জিজ্ঞেস করাতে বললেন মেয়ের শরীরটা ভালো নেই। বলে চুপ করে গেলেন। মেয়েটি ছোট থেকেই একটু অসুস্হ, হার্টের একটু সমস্যা আছে জানতাম। দিদির একটি মেয়ে ও একটি ছেলে। সেই মেয়ের আবার দুটি কন্যা। মেয়েটির স্বামী অনেকদিন আগেই সুবিধামত সরে পড়েছে। ছোট ছোট দুই মেয়ে নিয়ে হাবুডুবু খেতে খেতে অসুস্থ শরীরেই কোনও দিশা না করতে পেরে এক ব্যক্তির সাহায্যে আরও কয়েকজনের সাথে সে
আরও পড়ুন26 December, 2025 - 12:30:00 PM
রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায়বিশিষ্ট লেখক ও কেন্দ্রীয় সরকারী চাকুরীরত শুন শুন সুধীজন, শুন দিয়া মন ভ্রমণ পাঁচালি এবে করি নিবেদন। মহাভারত বিরাট পর্ব অজ্ঞাতবাসকাল নকুল সহদেব সামলান রাজার গোহাল। নৃত্যের শিক্ষিকা সাজেন কৃষ্ণ সখা পার্থ ভীমসেন পাচক হন - এ কী অনর্থ! রাজসভাসদ রূপে যুধিষ্ঠির মহামতি পরিচয় নাহি জানেন বিরাট নৃপতি। রাণীর সখীর বেশে দেখে দ্রৌপদীরে রাজশ্যালক কীচকের লোভ পড়ে ঝরে, মল্লযুদ্ধে কীচকেরে করি পর্যুদস্ত পার্বত্য কুন্ডে ভীম ধৌত করেন হস্ত। মহাভারতের কথা অমৃতসমান পাঠক এবে কলিযুগে লহ নিজ স্থান।। দ্বাপরের বিরাট আজ বৈরাট প্রদেশে মহারাষ্ট্র রাজ্যের উত্তর সীমা ঘেঁষে। ট্রেন থেকে নেমে পড়ি বাদনেরা জংশন
আরও পড়ুন16 December, 2025 - 12:00:00 PM
তপন বন্দ্যোপাধ্যায় প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও প্রাক্তন সিভিল সার্ভেন্ট ১. টিফিনের সময় যখন সবাই একে–একে বেরিয়ে গেল ক্লাস থেকে, তাতান দেখে পুপু মুখে অহংকার ফুটিয়ে ব্যাগ থেকে বার করল একটা চমৎকার বাইনোকুলার৷ ঘন কালো রঙের, লম্বাটে গড়ন, দুদিকে দুটো লম্বা চোঙ৷ টিফিনটাইমে তিনতলার বারান্দায় দাঁড়িয়ে চোখে লাগিয়ে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দেখছিল সামনের মাঠটায়৷ হঠাৎ কী মনে হতে তাতনের হাতে ধরিয়ে দিয়ে বলল, দ্যাখ, তাতান, বাংলা স্যারকে কেমন দ্যাখাচ্ছে এখান থেকে। তাতানও তাকিয়ে দেখছিল সবুজ ঘাসে ভরা মাঠটার দিকে, পুপুর কথা অনুসরণ করে খালি চোখে তাকিয়ে দেখল লিলিপুটদের মতোই ছোট্ট এতটুকুন দেখাচ্ছে তাদের বাংলাস্যারকে৷ পরক্ষণে বাইনোকুল
আরও পড়ুন13 December, 2025 - 12:00:00 PM
সুতপন চট্টোপাধ্যায়, বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও ইন্ডিয়ান চেম্বার অফ কমার্সের মার্কেটিং ম্যানেজমেন্ট এর প্রাক্তন অধ্যাপক ১) – তাহলে শেষ পর্যন্ত ফিরে এলে? – এলাম। – কেন এলে? এই পোড়া দেশে কী আছে যে ফিরে এলে? – সব আছে। দেখতে পারলে সব দেখা যায়, অন্ধ হলে দিন ও অন্ধকার বলে হাসলো অনিন্দ্য। মেখলা বলল, সত্যি কথা। আমাদের চোখ কোথায় যে দেখব। তোমার বিদেশে গিয়ে চোখ খুলেছে তাই দেখতে পাও। – পাই তো। অনেক কিছু দেখতে পাই। দেখতে দেখতে ভালো মন্দ বিচারটা সহজ হয়। – কী করে বোঝো? সে একদিন বলব তোকে। আমাকে এক কাপ চা দে। বলে অনিন্দ্য বারান্দায় এসে বসল। এই বারান্দায় ইজি চেয়ারে বসত বেণীমাধব। এই বারান্দা থেকে হাটবসন্তপুরের দূ
আরও পড়ুন