বাংলাদেশের নাটকে শোকাবহ আগস্ট-দ্বিতীয় পর্ব
4 December, 2020 - By Bangla WorldWide
3 December, 2020 - 05:47:00 PM
মুক্তিযুদ্ধই বাংলাদেশের নাট্যচর্চাকে নতুন প্রাণ দিয়েছে। স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশে শিল্প-সাহিত্যের ধারায় নাট্যকলা মাধ্যমটিই সবচেয়ে বেশি বিকশিত হয়েছে। দেশের প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে নাট্যকলা পাঠক্রমে অনার্স-মাস্টার্স ডিগ্রি প্রদান, এমফিল, পিএইচডি এমনকি আরো উচ্চতর গবেষণা নিরন্তর চলছে। সারাবিশ্বের নাট্যচর্চার তুলনায় বাংলাদেশ প্রযুক্তিক্ষীণতা ও পেশাদারিহীনতার মধ্যে থাকলেও নাট্য বিষয়, উপস্থাপন কৌশল, আলো, পোশাক ইত্যাদি নানা উপকরণে পিছিয়ে নেই। হাজার বছরের ঐতিহ্যের ধারায় দেশীয় রীতির নাট্যচর্চা এখন আন্তর্জাতিক শিল্পপরিম-লে স্বপরিচয়ে উজ্জ্বল। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে কলকাতা কেন্দ্রিক গ্রুপ থিয়েটার চর্চা দ্বারা প্রভাবিত হলেও নাটকে ভর করেছে বাংলাদেশের সামাজিক রাজনীতি-অবক্ষয়। উত্তরণে উদ্ভূত হয়েছেন নতুন আরেক মূল্যবোধে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় রচিত হয়েছে অসংখ্য নাটক। নানাভাবে নানা দৃষ্টিকোণ থেকে মুক্তিযুদ্ধের বাস্তবতা মূর্ত হয়ে ওঠেছে মঞ্চের দৃশ্যে। দেশের মানুষের মুক্তির জন্য স্বাধীনতার জন্য দেশের জন্য যিনি অক্লান্ত ছিলেন তিনি আকস্মিতভাবে কিছু উচ্ছৃঙ্খল সেনাদের হাতে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে প্রাণ হারান। অথচ সেই মহৎপ্রাণ জাতির স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে উল্লেখ করার মতো কোনো নাটক রচিত হয়নি বললেও চলে। মুক্তিযুদ্ধ আশ্রিত কিছু সংখ্যক নাটকে বঙ্গবন্ধুর জীবনী কিংবা হত্যাকা- অর্থাৎ শোকাবহ রক্তক্ষরণের কিছুটা স্মৃতি এসেছে। আমরা এ আলোচনায় সমকালের নাট্যচর্চায় কীভাবে শোকাবহ আগস্টের প্রতিফলন ঘটেছে তা নিয়ে আলোচনা করবো। সমকালের নির্বাচিত কিছু নাটককে কেন্দ্র করে স্বল্প পরিসরে নাট্যশিল্পে এ শোকের স্বরূপ খুঁজতে ব্যাপ্ত থাকবো।
আরও পড়ুন2 December, 2020 - 06:30:00 PM
ভেবেছিলাম, আমার মনটা হারিয়ে গেছে! অনেকদিন আগে যে মনটা ব্যথায় আর্তনাদ করে উঠতো, চােখে জল ঝরে পড়তো টসটস করে, সে মনটা কি করে হারিয়ে গেছে!
আরও পড়ুন1 December, 2020 - 04:07:00 PM
বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব শারদোৎসব। আসলে মানুষের মিলন উৎসব। আর পুজো মানেই সুনীল আকাশে সাদা মেঘ, শিউলি ফুল, মহালয়ার ভোরে রেডিওতে মহিষাসুরমর্দিনী। এই পুজোর সঙ্গেই অঙ্গাঙ্গী জড়িয়ে আছে পুজোর নতুন গান। এখন পুজোর গানের সে আকর্ষণ আর নেই।
আরও পড়ুন1 December, 2020 - 05:25:00 AM
২০২০ সালের যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন নারী শক্তির জয়জয়কার হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। এ বছর ৬৫% মার্কিন নাগরিক ভোট দিয়েছেন। এটি যেমন একটি অভূতপূর্ব পরিবর্তন, তেমনই এই নির্বাচনে আমরা বিপুল সংখ্যক নারী কর্মী, নারী প্রার্থী, এমন কী প্রথম নারী উপরাষ্ট্রপতি মনোনীত হতে দেখলাম। এই নির্বাচনে নারীর ভূমিকা মূল্যায়ন করতে হলে জাতিগত বিভেদের বিশ্লেষণও করতে হবে।
আরও পড়ুন30 November, 2020 - 06:07:00 PM
বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী দেশ অর্থাৎ আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয়ে গেল সম্প্রতি। সবচেয়ে চর্চিত ও আলোচিত এই ভোটে নজর ছিল সারা বিশ্বের। ভারত ও বাংলাদেশ থেকে কয়েক লক্ষ বাঙালি আমেরিকায় বসবাস করেন, নির্বাচনে তাঁরাও অংশগ্রহণ করেছিলেন।
আরও পড়ুন30 November, 2020 - 03:58:00 PM
বাংলার নবজাগরণ এবং বর্তমান সময় তার প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করেছিল "মৌলানা আবুল কালাম আজাদ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়" -এর মিডিয়া সাইন্স বিভাগ । মহান ব্যক্তিত্ব যারা ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন, তাঁদের নিয়ে এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আরও পড়ুন30 November, 2020 - 02:25:00 PM
ডায়নোসরের সাথে আমার প্রথম পরিচয় স্টিফেন স্পিলবার্গের ‘জুরাসিক পার্কে’। বিবর্তনের পথে হারিয়ে যাওয়া এই অতিকায় প্রাণীর সাথে মানুষের আবির্ভাবের সময়ের তফাৎ ৬ কোটি ৫০ লক্ষ বছরের। অতখানি দূরত্বকে অতিক্রম করে আবার তারা এসে হাজির রুপালী পর্দায়। ছোটবেলায় বইয়ে পড়া ডায়নোসরের কঙ্কালের ছবি মনের কোনো জায়গায় ঠাঁই পায় নি এর আগে। এখনকার মতো অবলুপ্ত প্রাণীটিকে নিয়ে এত মার্কেটিং ছিল না আমাদের সময়।
আরও পড়ুন28 November, 2020 - 12:16:00 PM
আলী যাকেরের সঙ্গে আমার প্রথম পরিচয় ঢাকাতে,1974 - এ। আমাদের 'থিয়েটার ওয়ার্কশপ' সেবার বাংলা একাডেমি র আমন্ত্রণে ঢাকা গেছিল ' রাজরক্ত' ও 'চাক ভাঙা মধু' প্রযোজনা নিয়ে। দুরাত অভিনয় হয়েছিলো । বিপুল সমাদর আমরা পেয়েছিলাম। আমার এবং আমাদের দলের সেটা একটা বিশেষ মনে রাখার মতো ঘটনা ছিল। সেসময় ঢাকার ভারতীয় দূতাবাসের সংস্কৃতি দপ্তরে ছিলেন সুব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় যিনি শমীক বন্দ্যোপাধ্যায় র দাদা আবার করুণা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বামী।
আরও পড়ুন28 November, 2020 - 04:58:00 AM
আই আই টির টপার ছিল হরি চরণ মিশ্র কি সব ভালো রিসার্চ করায় চাকরি দিল ISRO. সেখান থেকে NASA, হরি চাকরি পেলো খাসা--
আরও পড়ুন27 November, 2020 - 06:05:00 PM
ছেলেবেলায় আমাদের মনোজাগতিক গঠন প্রক্রিয়ার অন্যতম পুঁজি ছিল একটা শত ব্যবহারে নরমহয়ে আসা সঞ্চয়িতা l বাবার মাথার কাছে নিত্যদিন এই একখানা বই নির্বিবাদে রাজত্ব করেছে l আমাদের আনন্দের মহার্ঘ্য উদযাপন এই বইয়ের ভেতর দিয়ে শুরু হত, আমাদের বেদনার ভার এইবইয়ের মলিন পাতাগুলোর ভেতর আরাম খুঁজে নিত l আর আমাদের মায়ের অশুদ্ধ সুরে গাওয়া রবীন্দ্রসঙ্গীতের ভেতর দিয়েই আমাদের রবীন্দ্রনাথের গানের সাথে গাঁটছড়া বাঁধা l জলের মত কলকলিয়েআমার জীবনে এসেছিলেন রবি ঠাকুর l আমি পাইলাম,ইহাকে পাইলামের মত সহজ প্রাপ্তি যোগেরউত্তেজনায় বুঝিনি পাওয়া অত সহজ নয় যতটা সহজ ভেবেছি l
আরও পড়ুন